ঐতিহাসিক তথ্য বিকৃতি নাকি মানসিক বিকৃতি?
মোনাজ হক , শুক্রবার, মার্চ ২৮, ২০১৪


হিপথেটিক্যালি বলাযায়, জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ১৯৪৭ সনে, কারণ সেই সময় পাকিস্থানে আক্ষরিক অর্থে কোনো প্রেসিডেন্ট ছিল না গভর্নর জেনারেল আর প্রধান নন্ত্রী ছিল মাত্র, জিয়াউর রহমানের মত যেকেউ একজন এসে রেডিও ঘোষণা দিতেই পারত "আজথেকে আমি পাকিস্থানের প্রেসিডেন্ট" কারণ একজনকে তো প্রেসিডেন্ট বানাতেই হবে তাইনা? ঐখানে জিয়াউর রহমান এর সাথে মিলবে ভালো কেউ প্রশ্ন ও করবে না সেই সময় তার বয়স কত ছিল আর কি কাজ করত বা কি তার যোগ্যতা ছিল, হয়ত সেটাই বোঝাতে চেয়েছে খালেদা জিয়া এন্ড কো:। (ছবি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান)
আর একাত্তর সনে একজন আর্মির মেজর ৪০০ টাকা বেতনের পাকিস্থান সরকারের চাকরি করে, ২৭ সে মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল আবার ‘পাকিস্থানের প্রেসিডেন্ট’ ছিল বল্লেও কেউ আপত্তি করবে না কারণ আমরা'তো জানি বাংলাদেশর প্রথম সরকার গঠন হয় একাত্তরে ১৭ এপ্রিল জনগনের নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা, হঠাৎ করে একজন আর্মি মেজরের স্বইচ্ছায় নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস বাঙালিরা জানে, এই ইতহাস আমাদের প্রানের ইতিহাস এখানে গোঁজামিলের কোনো সুযোগ নেই।
এই সব গন্ড মুর্খ অশিক্ষিত বিএনপি নামক এনজিও সংগঠনটির চক্রান্তকারী ইতিহাসচোররা যদি জানত যে: হিটলারও পারেনি ইতিহাস কে বিকৃত করে মিথ্যার ফানুসে গড়ে পৃথিবীর ইতিহাস বদলাতে আর প্রাচীন যুগে সক্রেটিসকে, গালিলিওকে যারা হত্যা করে ইতিহাস বিশ্রুত করতে চেয়েছিল তারা কি তা পেরেছিল। তারা নিজেরাই ইতিহাসের অতলে তলিয়ে গেছে সেই কবে, অথচ সভ্যতার ইতিহাসে কি দীপ্তিমান হয়ে তারা জ্বল জ্বল করছে তাদের নাম। বাংলাদেশের ইতিহাসেও ঠিক তেমতি জ্বল জ্বল করছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম।