সহযোদ্ধার খোঁজে - ধারাবাহিক নিবন্ধ
মোনাজ হক , বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৩


সহযোদ্ধার খোঁজে - ধারাবাহিক নিবন্ধ @মোনাজ হক
বাবলুভাই বেঁচে থাকলে এবার নির্ঘাত একটি রাষ্ট্রীয় পদক পেতেন, স্বাধীনতার ৪২ বছর পরে সরকার দেশী বিদেশী বন্ধুদেরকে, যারা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সম্পৃক্ত ছিলেন, যারা আমাদের স্বাধীনতার জয়ধনী শুনেছেন অন্যকেও শুনিয়েছেন, তাদেরকে পুরস্কৃত করেছেন। বিগত দুই বছরে পর পর বহু মানুষইতো পেলো রাষ্ট্রীয় পদক, কেউ যুদ্ধে সরাসরি অংশনিয়ে, কেউ পরোক্ষভাবে অংশ নিয়ে, কেউবা যুদ্ধকে সমর্থন করে।
আর আমাদের বাবলুভাই, তাঁকে তো যুদ্ধের শুরুতেই প্রাণ দিতে হয়েছে তাঁর খবর কেউ জানে না আমরাও জানিনা।

শোনাকথা বাবলুভাইকে নাকি ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে থেকে একাত্তুরে ২৮ সে মার্চ তাঁরই এক সঙ্গীক্যাডেট (কাকুল মিলিটারি আকাদেমি তে ট্রেনিং এর সময় এক পাঞ্জাবি সঙ্গী) একটি মিলিটারি যীবে তুলে নিয়ে যায় । তার পর থেকে তাঁর খবর আমরা জানিনা, সরকার ও জানে না। আর তাঁর সেই মিলিটারি আকাদেমিতে ট্রেনিং রত পাঞ্জাবি সঙ্গীটিও হয়ত জানতনা যে বাবলুভাই সেই কবে মিলিটারি চাকরি থেকে চলে গেছেন। ৬৫ এর কাকুল মিলিটারি আকাদেমির সেই শিহরণ মূলক ঘটনা বাবলুভাই নিজেই বলতেন আমাদেরকে কিভাবে পাঞ্জাবি ক্যাডেটরা বিনা কারণে বাঙালিদেরকে গালাগালি করত নিপীড়ন করত। একদিন সেই গালাগালি আর ভত্সনা সহ্য করতে নাপেরে বাক যুদ্ধ থেকে মুষ্টি যুদ্ধে জড়িয়ে পরে, তারই প্রাস্চিত্ত করতে হয়েছে তাঁকে, সামরিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কমিসন পাওয়ার ৩ দিন আগে বাবলু ভাইকে কাকুল মিলিটারি আকাদেমি থেকে বহিস্কার করা হয়।